অবহেলার পাঠশালা
কে এম মন্জুর হোসেন খান ||
হাসছো! হাসো!!
তুমি আমার লেখা পড়ো না,
তাই না?
পড়তেই হবে-
এমন কোনো দাবি তো ছিল না কখনো।
জানি,
তোমার দিনগুলো ভীষণ ব্যস্ত,
সময় গুলোও নিশ্চয়ই
খুব দামি।
সেখানে আমার কয়েকটি শব্দ-
স্থান পাবে কেন?
হয়তো সময় থাকলেও
আমার জন্য আলাদা করে
একটি মুহূর্ত খুঁজে পাও না।
আমাকে নিয়ে,
আমার লেখা নিয়ে,
ভাববার অবকাশ কোথায় তোমার!
অথচ দেখো,
আমি শত ব্যস্ততার ভিড়েও
অবচেতনে তোমাকেই খুঁজি।
প্রতিটি ফাঁকা মুহূর্তে
তোমার নামটাই এসে বসে,
প্রতিটি কবিতার শেষে
তোমার নীরবতাই দাঁড়িয়ে থাকে।
তুমি পড়ো না,
তবু আমি লিখে যাই।
হয়তো জানি,
এই শব্দগুলো
কখনো তোমার চোখে পৌঁছাবে না।
তবু তারা জন্ম নেয়,
কারণ তাদের জন্মের কারণ
“তুমি”।
আজকাল আর অভিমানও করি না,
শুধু বিস্মিত হই—
একজন মানুষ
কত সহজে আরেকজনের
পুরো পৃথিবী হয়ে যেতে পারে,
অথচ সেই পৃথিবীর খবরটুকুও
না রেখেই।
হাসছো?
হাসো।
আমার অনুভূতিগুলো হয়তো
তোমার কাছে নিছক কবিতা,
কিন্তু আমার কাছে—
এগুলোই এক জীবনের
অলিখিত আত্মকথা।
আরো পড়ুন... মেঘকণা || অপেক্ষার শেষ প্রহর || আচ্ছা, পরে কথা হবে || উপহাসের পাত্র || ভালো আছি || একটা জীবন পার করে দিলাম ||

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন